এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের ১৩ হাজার ৫৫৯টি পদে নিয়োগের প্রক্রিয়ায় তৈরি হওয়া আইনি জটিলতা আপাতত কেটেছে। ১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

মঙ্গলবার শিক্ষা সচিবের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, ২৫ মার্চের সংশোধনীর মাধ্যমে নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর আগে ২০২১ সালের জনবল কাঠামোয় সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিন বছরসহ মোট ১৫ বছরের অভিজ্ঞতার বিধান ছিল।

১৮ বছরের শর্তকে চ্যালেঞ্জ করে ৪৬ জন শিক্ষক হাইকোর্টে রিট করেন। পরে হাইকোর্ট সংশোধিত বিধান বাতিল ঘোষণা করলে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে।

চেম্বার আদালত হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করায় ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে আর বাধা নেই।

আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে রিট করা ৪৬ জন শিক্ষকের জন্য ৪৬টি পদ সংরক্ষণ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।