https://timenewsbangla.com

ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->
বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, দেশের পর্যটন খাত ভবিষ্যতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হবে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নে সরকার পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে কাজ করতে আগ্রহী।
রোববার (১৭ মে) রাজধানীর বনানীর একটি অভিজাত হোটেলে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) আয়োজিত ‘টোয়াব ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরিজম অ্যাওয়ার্ড (টিটা)-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকার পর্যটনকে শুধু অর্থনৈতিক খাত হিসেবে নয়, বরং কর্মসংস্থান, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের কার্যকর মাধ্যম হিসেবেও গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন কেন্দ্রের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক প্রচারের জন্য একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে ইকো-ট্যুরিজম, অ্যাডভেঞ্চার, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটনকে বিশেষভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত আরও বলেন, পর্যটন খাতের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় নীতিগত পরিবর্তনের জন্য টোয়াবের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটনের অবদান প্রায় ৩ শতাংশ হলেও, ভবিষ্যতে তা ৮ থেকে ৯ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে পর্যটন খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘টিটা-২০২৬’-এ ১৩টি ক্যাটাগরিতে ১৩টি প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।