https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দেশের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। নতুন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর একদিনে সূচকের এটিই সবচেয়ে বড় পতন। একই সঙ্গে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে লেনদেনের পরিমাণও।
বাজার সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৩১০টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। বিপরীতে দাম বেড়েছে মাত্র ৫৯টির, আর অপরিবর্তিত ছিল ২০টির।
বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমে যাওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৬৬ পয়েন্ট হারিয়ে ৫ হাজার ৮০৪ পয়েন্টে নেমে এসেছে। শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচক ১৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৮৩ পয়েন্টে। আর ব্লু-চিপ কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএস-৩০ কমেছে ২৩ পয়েন্ট, অবস্থান করছে ২ হাজার ১৯২ পয়েন্টে।
সূচকের পাশাপাশি কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। দিন শেষে ডিএসইতে মোট ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের ১ হাজার ২১১ কোটি টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ১৫৮ পয়েন্ট কমেছে। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৬২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫৪টির দাম বেড়েছে, ১৮৬টির কমেছে এবং ২২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এদিন সিএসইতে মোট ২০ কোটি ১৩ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের ১৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকার তুলনায় বেশি।
শেয়ারবাজারে সাম্প্রতিক এই দরপতনকে অবশ্য স্বাভাবিক মূল্য সমন্বয় হিসেবে দেখছেন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) সভাপতি সাইফুল ইসলাম। তার মতে, দেশের অর্থনীতি ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের কোনো নেতিবাচক পরিবর্তন ঘটেনি। বরং বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বাজারে সূচক ও লেনদেন—উভয় ক্ষেত্রেই ইতিবাচক ধারা দেখা গেছে। তাই সাম্প্রতিক এই পতনকে সংকট হিসেবে নয়, বাজারের স্বাভাবিক মূল্য সমন্বয়ের অংশ হিসেবে দেখা উচিত।