ঢাকা
০৮ আগস্ট ২০২৬

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তি : তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬   ১৮ বার পঠিত
বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তি : তথ্যমন্ত্রী

ছবি: -সংগৃহীত

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই দেশের সব ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতি ও নৃগোষ্ঠীকে ধারণ করে গড়ে ওঠা একমাত্র অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় পরিচয়।

বুধবার (২২ জুলাই) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আধুনিক জাতীয়তাবাদের ধারণায় কোনো নির্দিষ্ট ভাষা, ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র জাতীয় পরিচয়ের একমাত্র ভিত্তি নয়। বরং একটি রাষ্ট্রের বহুমাত্রিক বাস্তবতা, অভিন্ন স্বার্থ এবং যৌথ ভবিষ্যৎ নির্মাণের আকাঙ্ক্ষা থেকেই আধুনিক জাতীয় পরিচয় গড়ে ওঠে।

তিনি বলেন, ভারতীয় উপমহাদেশে ধর্মের ভিত্তিতে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলেও শুধু ধর্ম দিয়ে একটি বহুমাত্রিক রাষ্ট্রকে ঐক্যবদ্ধ রাখা সম্ভব হয়নি। এরই ধারাবাহিকতায় ভাষা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়। স্বাধীনতার পর ভাষাভিত্তিক পরিচয়ের সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নিয়েই শহীদ জিয়াউর রহমান নাগরিকভিত্তিক ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর ধারণা সামনে আনেন।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনে চাকমা, মারমা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কিংবা ভিন্ন ধর্মাবলম্বী কোনো নাগরিকের পরিচয়গত সংকট নেই। এই দর্শন দেশের সব নাগরিককে সমান মর্যাদায় একটি অভিন্ন জাতীয় পরিচয়ের বন্ধনে আবদ্ধ করেছে এবং দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বৈদেশিক সম্পর্কের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়, তবে তা অবশ্যই দেশের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই হবে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের এই দর্শন থেকে বিচ্যুত যেকোনো চিন্তা জাতীয় ঐক্যকে দুর্বল করতে পারে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান আধুনিক বাংলাদেশের অন্যতম রূপকার। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের পর তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করে ভঙ্গুর রাষ্ট্রকাঠামো পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীন। এছাড়া ইউট্যাব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

August 2026
SMTWTFS
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031