https://timenewsbangla.com

র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের আওতাধীন ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ (এসআরবি) গঠনের বিধান রেখে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। বিরোধী দলের আপত্তির মধ্যেই বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।
বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এর আগে ৩ সেপ্টেম্বর বিলটি সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। বুধবার কমিটির প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন করা হয়। বিলটির বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সাতটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।
নতুন আইনে জননিরাপত্তা রক্ষা, সন্ত্রাসবাদ ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন, অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার, মাদক ও সাইবার অপরাধ মোকাবিলা, গুম, ভূমিদস্যুতা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, মানবপাচার ও অপহরণের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব এসআরবিকে দেওয়া হয়েছে।
এসআরবি সদস্যরা প্রচলিত আইন অনুযায়ী কোনো স্থানে প্রবেশ, তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতার করতে পারবেন। তবে গ্রেফতার ব্যক্তি ও জব্দ করা আলামত অনতিবিলম্বে নিকটস্থ থানায় হস্তান্তর করতে হবে। আদালত, সরকার বা পুলিশ মহাপরিদর্শকের নির্দেশে এসআরবি ফৌজদারি অপরাধের তদন্তও করতে পারবে।
আইনে সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকার ব্যবস্থার পাশাপাশি শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য বিভিন্ন ধরনের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
তবে বিরোধী সদস্যরা অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থার স্বাধীনতা, আটক রাখার ক্ষমতা, প্রশিক্ষণ, বেআইনি আদেশ প্রত্যাখ্যানকারী সদস্যদের সুরক্ষা এবং র্যাবের জনবল ও নথিপত্র এসআরবিতে হস্তান্তর নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন।
আইন কার্যকর হলে র্যাব-সংক্রান্ত বিধান রহিত হবে এবং বাহিনীটির জনবল, সম্পদ, তহবিল, রেকর্ড ও অন্যান্য সম্পত্তি এসআরবির কাছে হস্তান্তরের বিধান কার্যকর হবে।