https://timenewsbangla.com

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি আকাশ যোগাযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নতুন গতি পেয়েছে। ঢাকা-সিউল রুটে নিয়মিত যাত্রী ও কার্গো ফ্লাইট চালুর বিষয়ে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রাথমিক প্রস্তাব অনুযায়ী, সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২৮টি যাত্রীবাহী ও ২৮টি কার্গো ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ থাকতে পারে। অর্থাৎ দুই দেশের মধ্যে সপ্তাহে মোট ৫৬টি ফ্লাইট পরিচালনার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এটি এখনো প্রস্তাব ও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে।
বুধবার ঢাকায় দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বেবিচকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠকে সরাসরি ফ্লাইট চালু, বিমান চলাচল সহযোগিতা ও কার্গো পরিবহন সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়।
বর্তমানে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে কোনো নিয়মিত সরাসরি ফ্লাইট নেই। ফলে যাত্রীদের তৃতীয় কোনো দেশে ট্রানজিট নিতে হয়। সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে সময় ও ব্যয় কমার পাশাপাশি ট্রানজিট ও লাগেজ ব্যবস্থাপনার ভোগান্তিও কমবে।
এতে দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের যাতায়াত সহজ হবে। পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কও আরও গতিশীল হতে পারে। তৈরি পোশাক, চামড়া, ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্য দ্রুত দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে পাঠানোর ক্ষেত্রে সরাসরি কার্গো যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
১৯৭৯ সালে দুই দেশের মধ্যে এয়ার সার্ভিসেস এগ্রিমেন্ট (এএসএ) স্বাক্ষরিত হলেও ঢাকা-সিউল রুটে নিয়মিত শিডিউল ফ্লাইট চালু হয়নি। দক্ষিণ কোরিয়া এতদিন বিশেষ অনুমতিতে চার্টার ফ্লাইট পরিচালনা করত। অর্থ পাচারের অভিযোগ ওঠার পর গত মার্চে এসব নন-সিডিউল ফ্লাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়।