https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
নেপালের সীমান্তবর্তী রাসুয়া জেলায় আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯৫ জনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে চীনের তিব্বত অঞ্চল থেকে হঠাৎ করে বিপুল পরিমাণ পানি ভোতেকুশ নদী দিয়ে নেমে এসে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আঘাত হানে। মুহূর্তের মধ্যেই পানি ও কাদার স্রোতে ভেসে যায় ঘরবাড়ি ও যানবাহন।
বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, বন্যায় রাসুয়া জেলার সায়াফ্রুবেশি এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
এদিকে কৈলাশ-মানস সরোবরে যাওয়া প্রায় ৪০০ পর্যটকের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। নিখোঁজদের মধ্যে প্রায় ১৪০ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকও রয়েছেন বলে জানা গেছে।
উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করেছে নেপাল সরকার। দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দুর্গত এলাকায় ১৪টি হেলিকপ্টার ও কয়েকশ উদ্ধারকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।
কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের জলবায়ু গবেষক রিজান ভক্তের প্রাথমিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, লেন্দে নদীতে বরফধসের কারণে পানিপ্রবাহ আটকে গিয়ে সেখানে বিপুল পানি জমে থাকতে পারে। পরে বুধবার সকাল ৯টার দিকে তিব্বতে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হলে সেই বরফ সরে গিয়ে আটকে থাকা পানি একসঙ্গে ভোতেকুশ নদীতে নেমে আসে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কান্তিপুর টিভিকে ওই গবেষক জানান, চীনা বিজ্ঞানীদের কাছ থেকেও প্রাথমিকভাবে বরফধস ও ভূমিকম্পের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে আকস্মিক এই বন্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে আরও তদন্ত প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।