https://timenewsbangla.com

বিমান খাতের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দ্রুত নেওয়া ও বাস্তবায়নের পাশাপাশি মন্ত্রণালয়, বেবিচক ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। সপ্তাহে একদিন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) কার্যালয়ে বসে অফিস করার পরিকল্পনা করছেন তিনি।
বেবিচক সূত্র জানায়, মন্ত্রীর নিয়মিত অফিসের জন্য সংস্থাটির সদর দপ্তরের ষষ্ঠ তলায় একটি কক্ষ প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও দাপ্তরিক সুবিধা তৈরির কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তবে সপ্তাহের কোন দিন তিনি সেখানে অফিস করবেন, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
দায়িত্ব নেওয়ার পরই মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, কাজের সুবিধার্থে সপ্তাহে একদিন বেবিচক অথবা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কার্যালয়ে বসে কাজ করতে চান তিনি। তার এই পরিকল্পনার লক্ষ্য হলো শুধু ফাইলনির্ভর সিদ্ধান্ত নয়, বরং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম সরাসরি পর্যবেক্ষণ এবং বাস্তবায়নের বাধাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করা।
বিমান খাতে বর্তমানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ও কার্যক্রম চলমান। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল, বিমানবন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ফ্লাইট পরিচালনা এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সক্ষমতা বাড়ানোর মতো বিষয়গুলোতে নিয়মিত সমন্বয় প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, বেবিচকে মন্ত্রীর নিয়মিত উপস্থিতি সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়াতে পারে। কোনো প্রকল্পে প্রশাসনিক জটিলতা বা বাস্তবায়নগত সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়াও সহজ হবে।
একজন বেবিচক কর্মকর্তা বলেন, মন্ত্রীর উপস্থিতি মন্ত্রণালয় ও বেবিচকের মধ্যে যোগাযোগের ব্যবধান কমানোর পাশাপাশি নীতিগত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে জবাবদিহি বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে সমন্বয়ও আরও কার্যকর হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বিমান খাতের বড় প্রকল্পগুলো শুধু পরিকল্পনা নয়, সময়মতো বাস্তবায়নই এখন মূল চ্যালেঞ্জ। সেই বাস্তবতায় মন্ত্রীর মাঠপর্যায়ে সরাসরি যুক্ত হওয়ার উদ্যোগ প্রশাসনিক গতি বাড়াতে কতটা কার্যকর হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।