https://timenewsbangla.com

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষককে বরখাস্ত বা চাকরি থেকে অপসারণ করতে হলে শিক্ষা বোর্ডের ‘আপিল ও সালিশ কমিটির’ অনুমোদন প্রয়োজন। বোর্ডের অনুমোদন ছাড়া গভর্নিং বডি কোনো শিক্ষকের বরখাস্ত বা অপসারণের সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে পারবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
অসদাচরণের অভিযোগে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার গচিহাটা কলেজের গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আবুল মনসুরকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে এ রায় দেন আদালত।
রায়ে হাইকোর্ট বলেন, বেসরকারি কলেজের শিক্ষককে বরখাস্ত বা অপসারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রবিধানমালা এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের নীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। শিক্ষককে যথাযথভাবে কারণ দর্শানোর সুযোগ না দিয়ে কিংবা শুধু মৌখিক বা মোবাইল ফোনের নির্দেশে তদন্ত কমিটি গঠন করে দ্রুত বরখাস্ত করা আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও বেআইনি।
‘মোহা. আখতারুজ্জামান বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য’ মামলায় আদালত এসব পর্যবেক্ষণ দেন। গত ৭ জুলাই বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দী ও বিচারপতি দিহিদার মাসুম কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন। গতকাল রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়।
রায়ে আদালত আবুল মনসুরের বরখাস্তের সিদ্ধান্ত না-মঞ্জুর করে তাকে বকেয়া বেতন-ভাতা এবং অবসরোত্তর সুবিধা দেওয়ার নির্দেশসংক্রান্ত ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ‘আপিল ও সালিশ কমিটির’ সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন।
আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. কামরুজ্জামান। কলেজ শিক্ষকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. জহিরুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আনিসুর রহমান খান ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতান মাহমুদ বান্না।
| S | M | T | W | T | F | S |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | 2 | 3 | 4 | 5 | ||
| 6 | 7 | 8 | 9 | 10 | 11 | 12 |
| 13 | 14 | 15 | 16 | 17 | 18 | 19 |
| 20 | 21 | 22 | 23 | 24 | 25 | 26 |
| 27 | 28 | 29 | 30 | |||