তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, স্টারলিংক ও স্টারশিল্ড স্যাটেলাইট সংযোগের গতি আবার আগের অবস্থায় ফিরেছে। এতে সম্মুখসারিতে সামরিক কার্যক্রম, রসদ সরবরাহ ও প্রতিরক্ষা পরিচালনায় স্বস্তি ফিরেছে।
গত সপ্তাহে স্টারশিল্ড সেবায় বিধিনিষেধ আরোপের পর ইউক্রেনের সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। দেশটির সামরিক কমান্ডারদের ভাষ্য অনুযায়ী, এতে ড্রোন হারানোর ঘটনা ঘটে এবং বিভিন্ন অভিযান ব্যাহত হয়।
জেলেনস্কি জানান, শনিবার সকাল নাগাদ স্যাটেলাইট সংযোগের গতি প্রয়োজনীয় পর্যায়ে পৌঁছায়। এতে সম্মুখসারিতে রসদ সরবরাহ এবং রাশিয়ার শাহেদ ড্রোনের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা সহজ হবে।
২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে ইউক্রেনের যোগাযোগ ও প্রতিরক্ষা কার্যক্রমে স্টারলিংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, স্টারলিংকের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত তিনি নেননি। অন্যদিকে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ মার্কিন প্রশাসনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
ঘটনাটি ইউক্রেনের সামরিক যোগাযোগে বেসরকারি স্যাটেলাইট প্রযুক্তির নির্ভরতা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

মন্তব্য করুন