তবে সামগ্রিকভাবে আসন বেশি থাকলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসগুলোতে ভর্তির প্রতিযোগিতা এবারও তীব্র হতে পারে। ৬১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে আসন রয়েছে মাত্র ৬৩ হাজার ৬৫৬টি। অর্থাৎ পাস করা শিক্ষার্থীদের প্রায় ৯ দশমিক ৮ শতাংশের জন্য রয়েছে এসব প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটের মতো প্রতিষ্ঠানে সীমিত আসনের বিপরীতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী আবেদন করায় প্রতিযোগিতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে রয়েছে ৯ লাখ ৪৬ হাজার ৯৫টি আসন। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও আসন রয়েছে ৪ লাখ ১০ হাজার। ফলে শিক্ষার্থী সংকটে এসব প্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রম চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।
এদিকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন এবার ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৬৯ হাজার ৯৭। অর্থাৎ এক বছরে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির যোগ্যতার শর্ত শিথিলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, এ সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেরাই নেবে। কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হবে না।
অন্যদিকে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূরক পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়েও আলোচনা চলছে। মঙ্গলবার শিক্ষা বোর্ডগুলোর সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে পরীক্ষা শুরু হতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য শিক্ষা বোর্ডের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করতে হবে।


মন্তব্য করুন