গত ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন লিকুদ জোট এবং গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন ‘চেঞ্জ’ জোট—কোনোটিই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। অন্যদিকে, আরব দল জয়েন্ট লিস্ট ও রা’আম মোট ১৯টি আসনে জয় পেয়েছে।
নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে কারচুপি ও ভোট চুরির অভিযোগ তোলেন নেতানিয়াহু। তবে বুধবার নির্বাচন কমিশন জানায়, অভিযোগের পর ৯ হাজার ৬৯টি ভোটকেন্দ্র নিরীক্ষা করা হয়েছে। এতে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার মতো কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এদিকে ইসরায়েলের অ্যাটর্নি জেনারেল গালি বাহারভ-মিয়ারা জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়া কাউকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হবে না। এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি। দলটির অভিযোগ, তদন্তে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, সাবেক সামরিক প্রধান গাদি আইজেনকোট লিকুদ পার্টির এমন কর্মকাণ্ডকে গণতন্ত্রের ওপর আক্রমণ বলে মন্তব্য করেছেন।
নির্বাচনে কোনো জোট একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আরব দলগুলোর আসনসংখ্যা সরকার গঠনের সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।


মন্তব্য করুন