পেট্রোবাংলার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিটি গত ১ নভেম্বর পেট্রোবাংলার উপমহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তারিকুল ইসলাম খানের স্বাক্ষরে প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত টার্মিনালটির রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
এ কারণে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। বর্তমানে দৈনিক ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ থাকলেও রক্ষণাবেক্ষণ চলাকালে তা কমে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসতে পারে। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কম হবে।
এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের স্বল্প চাপ দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে বাসাবাড়িতে রান্নাবান্না, শিল্পকারখানার উৎপাদন এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ থাকার খবর ছড়িয়ে পড়লেও বিষয়টি গুজব বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা। সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে, কোথাও গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার কোনো পরিকল্পনা নেই।
সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা।


মন্তব্য করুন