দিন শেষে ডিএসইতে ২৮২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ৫১টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৫০টির দাম।
বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা বিও হিসাবগুলো পুনরায় চালুর সুযোগ দেওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। এসব হিসাবে বড় বিনিয়োগকারীদের শেয়ার থাকায় বাজারে লেনদেন ও তারল্য বাড়ার সম্ভাবনাও দেখছেন তাঁরা।
এর আগে বিভিন্ন সরকারি সংস্থার অনুরোধে মোট ৬১৭টি বিও হিসাব স্থগিত করা হয়েছিল। গত ২০ জুলাই এসব হিসাব পুনরায় চালুর দাবিতে বিএসইসির কাছে আবেদন করে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)। পরে হিসাবগুলোতে আবারও লেনদেনের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
এদিকে সূচকের বড় উত্থান হলেও ডিএসইতে লেনদেন আগের দিনের তুলনায় কমেছে। বুধবার বাজারটিতে মোট লেনদেন হয়েছে ৫২২ কোটি ২৮ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে যার পরিমাণ ছিল ৫৬৫ কোটি ৮২ লাখ টাকা।
টানা তিন কার্যদিবস দরপতনের পর বিও হিসাব চালুর খবরে শেয়ারবাজারের এই ঘুরে দাঁড়ানোকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিনিয়োগকারীরা। তবে এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা কতটা স্থায়ী হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।


মন্তব্য করুন