যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের দুই কক্ষ মিলিয়ে অন্তত সাতজন মুসলিম আইনপ্রণেতা নির্বাচিত হয়েছেন। নাগরিক অধিকার, স্বাস্থ্যসেবা এবং ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান নিয়ে নির্বাচনি প্রচারণা চালিয়ে তারা এই জয় পেয়েছেন।এই নির্বাচনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা, প্রথম মুসলিম আমেরিকান সিনেটর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদ। মিশিগানে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে পরাজিত করে ইতিহাস গড়েন ৪২ বছর বয়সী এই চিকিৎসক ও সাবেক জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

নিউ জার্সির ১২তম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয় পেয়েছেন আদম হামাভি। প্লাস্টিক সার্জন ও সাবেক মার্কিন সামরিক চিকিৎসক হামাভি ইরাক যুদ্ধে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালে গাজায় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবেও কাজ করেন তিনি।

নিউইয়র্ক থেকে নির্বাচিত হয়েছেন দারিওলাইজা অ্যাভিলা শ্যাভালিয়ার। মূল নির্বাচনে ৮৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে জয় নিশ্চিত করেন এই ডেমোক্র্যাট প্রার্থী।

এদিকে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন আরও চার মুসলিম আইনপ্রণেতা। তারা হলেন—মিশিগানের রশিদা তালিব, মিনেসোটার ইলহান ওমর, ইন্ডিয়ানার আন্দ্রে কার্সন এবং ক্যালিফোর্নিয়ার লতিফা সাইমন।

রশিদা তালিব ও ইলহান ওমর পঞ্চমবারের মতো প্রতিনিধি পরিষদে নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে ২০০৮ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করছেন আন্দ্রে কার্সন।

এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে মুসলিম প্রতিনিধিত্ব নতুন মাত্রা পেয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে মুসলিম ও অভিবাসী জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণও আলোচনায় এসেছে।