যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়ের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদ শেষে হোয়াইট হাউজের দায়িত্ব কে নেবেন, তা নিয়ে দুই দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ।
রিপাবলিকান শিবিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তবে মধ্যবর্তী নির্বাচনে দলের বিপর্যয়ের পর তাঁর অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে নির্বাচনী পরাজয়ের দায়ও তাঁর ওপর পড়তে পারে।

৪২ বছর বয়সী ভ্যান্স নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য ইরান যুদ্ধকে দায়ী করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।

রিপাবলিকান দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিস এবং টেক্সাসের সিনেটর টেড ক্রুজ। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে ইরান যুদ্ধের রাজনৈতিক প্রভাব তাঁদের ওপরও পড়তে পারে।

অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাট শিবিরে নতুন প্রজন্মের নেতাদের ঘিরে আগ্রহ বেড়েছে। জর্জিয়ার সিনেটর জন অসফ তাঁদের মধ্যে অন্যতম। ৩৯ বছর বয়সী এই নেতা মধ্যবর্তী নির্বাচনে পুনর্নির্বাচিত হয়ে দলের মধ্যে নিজের অবস্থান আরও দৃঢ় করেছেন। যদিও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগ্রহ নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

এ ছাড়া ডেমোক্র্যাটদের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস, পেনসিলভানিয়ার গভর্নর জশ শাপিরো এবং ক্যালিফোর্নিয়ার সাবেক গভর্নর গ্যাভিন নিউসম।

তালিকায় আরও রয়েছেন নিউইয়র্কের কংগ্রেস সদস্য আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ, ইলিনয়ের গভর্নর জেবি প্রিটজকার, কেনটাকির গভর্নর অ্যান্ডি বেসিয়ার এবং অ্যারিজোনার সিনেটর মার্ক কেলি।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল দুই দলের নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ প্রার্থী বাছাইয়ের আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তবে ২০২৮ সালের নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত কারা দলীয় মনোনয়ন পাবেন, তা এখনো অনিশ্চিত।