যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বড় ধরনের পরাজয়ের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনে শুরু হয়েছে পদত্যাগের ঘটনা। ইতোমধ্যে বিচার বিভাগের তিন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন। তাঁদের পদত্যাগ ঘিরে মার্কিন প্রশাসনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ তিন কর্মকর্তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন নাগরিক অধিকারবিষয়ক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হারমিত ধীলন, জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জন আইজেনবার্গ এবং ফ্লোরিডার সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের মার্কিন অ্যাটর্নি জেসন রেডিং কুইনোনেস।

বৃহস্পতিবার টড ব্ল্যাঞ্চ জানান, তিনি হারমিত ধীলনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। ধীলন প্রায় ৩০টি অঙ্গরাজ্য থেকে ভোটার নিবন্ধনের তালিকা সংগ্রহের একটি প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে সেই উদ্যোগ সফল হয়নি।

বিভিন্ন মার্কিন গণমাধ্যমে প্রকাশিত পদত্যাগপত্রে ধীলন জানিয়েছেন, গত অক্টোবরেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে মধ্যবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে সম্মত হয়েছিলেন।

অন্যদিকে, জন আইজেনবার্গ ও জেসন রেডিং কুইনোনেসের পদত্যাগের বিষয়টি শুক্রবার নিশ্চিত করেন ব্ল্যাঞ্চ। কুইনোনেস এমন কয়েকজন সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত তদারকি করছিলেন, যাঁদের বিরুদ্ধে ট্রাম্প অভিযোগ করেছিলেন যে তাঁরা তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরানোর চেষ্টা করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন বিচার বিভাগের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর রাজনৈতিক বিরোধী হিসেবে বিবেচিত কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনা করেছে বিভাগটি। অভিযোগ আনতে অনিচ্ছুক বা অক্ষম হওয়ায় কয়েকজন প্রসিকিউটর চাকরিও হারিয়েছেন।

এর মধ্যে এফবিআইয়ের সাবেক পরিচালক জেমস কোমির বিরুদ্ধে গত এপ্রিলে একটি মামলা দায়ের করা হয়। ইনস্টাগ্রামে সামুদ্রিক ঝিনুকের ছবি দিয়ে ট্রাম্পের জীবননাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে।