শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায়। অথচ গত সপ্তাহেও এর দাম ছিল ১০০ টাকার মধ্যে। একই সঙ্গে ছোলার ডালের দাম বেড়ে প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
মালিবাগ এলাকার ভাই ভাই স্টোরের স্বত্বাধিকারী মো. রফিকুল ইসলাম জানান, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার কারণে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। গত সপ্তাহে যে ছোলা ৯২ থেকে ৯৫ টাকা কেজি দরে কেনা হয়েছিল, বর্তমানে তা কিনতে হচ্ছে ১০২ থেকে ১০৫ টাকায়।
বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী জামিল হোসেন বলেন, রমজান আসার আগেই ছোলার দাম বাড়ানো হচ্ছে। প্রতি বছর রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানোর প্রবণতা দেখা যায়। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।
এদিকে বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে শীতকালীন সবজিতে। সরবরাহ বাড়ায় অধিকাংশ শীতের সবজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। তবে বেগুন, শসা ও গাজরের দাম এখনো তুলনামূলক বেশি। গ্রীষ্মকালীন সবজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়।
পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমে প্রতি কেজি ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় নেমেছে। তবে আদা ১৪০ থেকে ১৯০ টাকা এবং রসুন ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট পুরোপুরি কাটেনি। বর্তমানে প্রতি কেজি তেল কিনতে হচ্ছে ২০৫ থেকে ২১০ টাকায়। চিনির দাম ১১০ থেকে ১১৫ টাকা এবং মসুর ডাল মানভেদে ৯০ থেকে ১৫৫ টাকা।
অন্যদিকে ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা কমে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৫০ থেকে ৫৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারেও দাম চড়া। পাঙাশ ২২০ থেকে ২৬০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং রুই-কাতলা ৩৬০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকার ও মানভেদে চিংড়ির দাম ৮০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত।
সব মিলিয়ে, কিছু পণ্যের দাম কমলেও ছোলা, তেল, আদা-রসুনসহ বেশ কয়েকটি নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে চাপে রয়েছেন ক্রেতারা।

মন্তব্য করুন