https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে নাটোরের ৮ জন ও বগুড়ার ১ জনসহ মোট ৯ জন শিক্ষার্থী চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। ফরম পূরণের টাকা আত্মসাৎ ও কারিগরি ত্রুটির কারণে তারা প্রথম দিনের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।
শুক্রবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর সরকারি কলেজের ৮ শিক্ষার্থী ফরম পূরণের জন্য টাকা জমা দিলেও অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকার সেই অর্থ বোর্ডে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। ফলে তাদের প্রবেশপত্র ইস্যু হয়নি এবং তারা বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।
ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর শিক্ষামন্ত্রী রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডকে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে বিশেষ ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ সম্পন্ন করা হয়। ফলে তারা শনিবার থেকে নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে বাকি সব পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে কলেজ কর্তৃপক্ষের রেজিস্ট্রেশন নম্বরের ভুলের কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা এক শিক্ষার্থীর সমস্যাও মন্ত্রীর নির্দেশে সমাধান করা হয়েছে। তার ফরমও সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনিও শনিবার থেকে পরীক্ষায় অংশ নেবেন।