https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ও গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথে অস্থিরতার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে। সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং হরমুজ প্রণালী নিয়ে নির্ধারিত বৈঠক স্থগিত হওয়ায় সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) একপর্যায়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৮ ডলারে উঠে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দামও ১০৩ ডলার ছাড়িয়ে যায়।
সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনটি বন্ধ করা হয়েছে। তবে এটি কবে চালু হবে, সে বিষয়ে কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি। হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ায় বিকল্প সরবরাহপথ হিসেবে এই পাইপলাইনের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
অন্যদিকে, ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতিদের অগ্রযাত্রা এবং বাব এল-মান্দেব প্রণালীর ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ায় মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ দুই নৌপথ ঘিরেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হরমুজ দিয়ে রোববার মাত্র ১৪টি জাহাজ চলাচল করেছে, যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক কম।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, সৌদি পাইপলাইন কতদিন বন্ধ থাকে, সেটিই এখন বড় বিষয়। দীর্ঘদিন সরবরাহ ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে।
এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রেও জ্বালানির দাম বাড়ছে। সোমবার দেশটিতে প্রতি গ্যালন পেট্রোলের গড় দাম ৪ দশমিক ৩১ ডলারে এবং ডিজেলের দাম রেকর্ড ৬ দশমিক ২৩ ডলারে পৌঁছেছে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম ৪৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
ডিজেলের দাম বৃদ্ধিকে বিশেষভাবে উদ্বেগজনক মনে করছেন অর্থনীতিবিদেরা। কারণ ট্রাক, নৌযান ও ট্রেনে পণ্য পরিবহনে ডিজেল ব্যবহৃত হওয়ায় জ্বালানি ব্যয় বাড়লে খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের দামও বাড়তে পারে।