https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবকে গোয়েন্দা তথ্য ও লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে সহায়তার বিষয়েও আলোচনা করছে ওয়াশিংটন। ফলে ইয়েমেন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, ইয়েমেনে পরিস্থিতি নিয়ে হুতিদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করছে মার্কিন সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এসব আলোচনায় অবস্থান নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তার জন্য সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আবেদন করেছে বলে খবর রয়েছে। রিয়াদ সরাসরি সামরিক সহায়তাও চেয়েছে বলে জানা গেলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদির হয়ে সরাসরি সামরিক অভিযানে অংশ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র। তবে গোয়েন্দা তথ্য ও লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে সহযোগিতার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।
এদিকে সৌদি আরবকে হুঁশিয়ার করে হুতিরা বলেছে, ইয়েমেনের বিরুদ্ধে শত্রুতা অব্যাহত রাখলে সৌদি আরব নিরাপদ থাকবে না। গোষ্ঠীটির দাবি, গত পাঁচ দিনে সৌদি ভূখণ্ডের দুটি ঘাঁটি থেকে ইয়েমেনে ৩৫০টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। তবে এই দাবির স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
গত সপ্তাহে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, হুতিদের হামলায় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বেসামরিক স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে ৭০ জনের বেশি মানুষ আহত হন এবং কয়েকটি তেল স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ভ্যান্স জানান, যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ অঞ্চলের অন্যান্য অংশীদারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। পাশাপাশি মান্দেব প্রণালীর মায়ুন দ্বীপ হুতিদের নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
হুতিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের পাশাপাশি সৌদিকে গোয়েন্দা সহায়তা দেওয়ার আলোচনা ইয়েমেন সংকটে ওয়াশিংটনের এক জটিল ও ভারসাম্যপূর্ণ কৌশলের ইঙ্গিত দিচ্ছে।