প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপস্টেইন-সংশ্লিষ্ট কিছু নথিতে সৌদি রাজদরবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে কাবার গিলাফের মতো দেখতে কাপড় উপহার পাওয়ার তথ্য রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। হুথিরা বিষয়টিকে রাজনৈতিক প্রচারের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করছে।
বিবৃতি, ভিডিও, গান, বক্তৃতা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে অভিযোগটি ছড়িয়ে দিচ্ছে হুথিরা। পবিত্র মক্কা ও কাবাকে সামনে রেখে নিজেদের ইসলামের রক্ষক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে তারা।
ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে সৌদি আরব আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন করে। অন্যদিকে, দেশটির বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে হুথিরা। দীর্ঘদিনের এই সংঘাতের মধ্যে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে প্রচারযুদ্ধকে গুরুত্ব দিচ্ছে গোষ্ঠীটি।
হুথি নেতা মাহদি আল-মাশাত সৌদি আরবের বিরুদ্ধে এপস্টেইন-সংশ্লিষ্ট অভিযোগ তুলে বক্তব্য দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নেতা আবদুল মালিক আল-হুথিও বিভিন্ন বক্তৃতায় এপস্টেইনের প্রসঙ্গ এনেছেন।
এ ছাড়া ইয়েমেনের কৌতুক অভিনেতা মুস্তাফা আল-মোমারি এ বিষয়ে ভিডিও প্রকাশ করেছেন। দেশটির একজন ঐতিহ্যবাহী সংগীতশিল্পীও অভিযোগটি নিয়ে গান লিখেছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপস্টেইনকে কাপড় উপহার দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে সৌদি কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। ফলে অভিযোগটির বিস্তারিত প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।জেফরি এপস্টেইন ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের কারাগারে মারা যান। কর্মকর্তারা তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে জানিয়েছিলেন।
বিশ্লেষকদের কাছে হুথিদের এই প্রচার সামরিক সংঘাতের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও তথ্যগত লড়াইয়েরও উদাহরণ। তবে এই প্রচার সৌদি আরবের বিরুদ্ধে কতটা জনমত তৈরি করতে পারছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

মন্তব্য করুন