শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১টা থেকে সামিটের ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) থেকে রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম চালু করা হয়। পেট্রোবাংলার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম সফলভাবে শেষ হওয়ায় সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে আবারও গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। বর্তমানে দেশের দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকেই আগের মতো জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
এর ফলে এলএনজি আমদানি, সংরক্ষণ এবং পুনর্গ্যাসীকরণের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহের স্বাভাবিক কার্যক্রম ফিরে এসেছে। টার্মিনালটির রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলাকালে গ্যাস সরবরাহে যে সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়েছিল, কার্যক্রম চালুর মাধ্যমে তা কাটিয়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দেশের আমদানি করা এলএনজি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের আগে বিশেষ প্রক্রিয়ায় পুনরায় গ্যাসে রূপান্তর করা হয়। এ কাজে মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই টার্মিনালগুলোর কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকা দেশের সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, বর্তমানে দুটি টার্মিনাল থেকেই স্বাভাবিক নিয়মে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে গ্রাহকদের সহযোগিতার জন্য সংস্থাটির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।
সামিটের টার্মিনাল পুনরায় চালু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন