https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি বলেছেন, উপসাগরীয় অঞ্চল আর যুক্তরাষ্ট্রের জন্য “নিরাপদ আশ্রয়” থাকবে না এবং এ অঞ্চলের দেশগুলোও মার্কিন সামরিক ঘাঁটির ঢাল হিসেবে কাজ করবে না।
মঙ্গলবার নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন। এমন সময় এ বক্তব্য এলো, যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র চলমান সংঘাতের অবসানে একটি সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে আলোচনা করছে।
খামেনি বলেন, সময়ের চাকা পেছনে ফেরে না। এই অঞ্চলের জাতি ও ভূখণ্ড আর আমেরিকান ঘাঁটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে না। তিনি আরও দাবি করেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র আর নিরাপদ পরিবেশ পাবে না।
গত মার্চে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর মোজতবা খামেনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি এখনও জনসমক্ষে আসেননি।
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের নতুন প্রধান মোহাম্মদ বাকের জোলঘাদর জনগণের উদ্দেশে দেওয়া প্রথম বার্তায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, লড়াইয়ে পিছু হটার কোনো সুযোগ নেই।”
জোলঘাদর দাবি করেন, সামরিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের প্রতিরোধ শত্রুপক্ষকে দুর্বল করে দিয়েছে। তিনি গত মার্চে নিহত আলী লারিজানির স্থলাভিষিক্ত হন।
বিশ্লেষকদের মতে, সাবেক ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) কর্মকর্তা জোলঘাদরের নিয়োগ দেশটির ক্ষমতার কাঠামোয় আইআরজিসির প্রভাব আরও বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।