https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
বলিউডে শাহরুখ খান ও ঐশ্বরিয়া রাইয়ের জুটি একসময় দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। ‘দেবদাস’ ও ‘মোহব্বতেঁ’-এর মতো সফল সিনেমায় তাদের অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। তবে ক্যারিয়ারের একটি পর্যায়ে শাহরুখ খানের সঙ্গে করতে যাওয়া একাধিক সিনেমা থেকে বাদ পড়েছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই। সেই ঘটনা ঘিরে আলোচনায় এসেছিল সালমান খানের সঙ্গে তার সম্পর্কের টানাপোড়েন।
২০০৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘চলতে চলতে’ সিনেমায় প্রথমে শাহরুখের বিপরীতে অভিনয়ের জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। কিন্তু শুটিং শুরুর কিছুদিন পর তাকে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং তার জায়গায় অভিনয় করেন রানি মুখোপাধ্যায়।
সে সময় ঐশ্বরিয়া ও সালমান খানের ব্যক্তিগত সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছিল। বিভিন্ন প্রতিবেদন ও গুঞ্জন অনুযায়ী, সালমান একসময় ‘চলতে চলতে’র শুটিং সেটে গিয়ে ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছিলেন। এতে শুটিং ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সিনেমাটির পুরো দলের ওপরও চাপ তৈরি হয়েছিল বলে জানা যায়।
পরবর্তী সময়ে বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা হয়। প্রখ্যাত উপস্থাপক সিমি গারেওয়ালের অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ঐশ্বরিয়া জানিয়েছিলেন, শাহরুখ খানের সঙ্গে অভিনয়ের জন্য নির্ধারিত প্রায় পাঁচটি সিনেমা থেকে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। ‘চলতে চলতে’র পাশাপাশি ‘বীর-জারা’ ও ‘কাল হো না হো’ সিনেমার নামও সেই তালিকায় ছিল।
সাক্ষাৎকারে ঐশ্বরিয়া বলেছিলেন, শাহরুখের সঙ্গে কয়েকটি সিনেমায় কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও হঠাৎ করেই কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই তাকে সেসব প্রকল্প থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। সিদ্ধান্তটি তার নিজের ছিল না এবং এমন ঘটনায় তিনি স্বাভাবিকভাবেই বিস্মিত ও মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছিলেন।
পরবর্তীতে শাহরুখ খানও ঐশ্বরিয়াকে সিনেমাগুলো থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। এ নিয়ে তিনি অভিনেত্রীর কাছে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চেয়েছিলেন বলেও জানা যায়।
শাহরুখ-ঐশ্বরিয়ার জুটি পর্দায় খুব বেশি সিনেমায় একসঙ্গে কাজ না করলেও ‘দেবদাস’সহ তাদের অভিনীত সিনেমাগুলো এখনো বলিউডের দর্শকদের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছে।