https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
২০২৬ বিশ্বকাপে অন্যতম কঠিন গ্রুপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে ‘গ্রুপ আই’। এই গ্রুপে জায়গা পেয়েছে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা ফ্রান্স, আফ্রিকার শক্তিশালী দল সেনেগাল, দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপে ফেরা নরওয়ে এবং এশিয়ার প্রতিনিধি ইরাক।
২০১৮ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ও ২০২২ সালের রানার্স-আপ ফ্রান্স এবারও শিরোপার অন্যতম দাবিদার। তবে গ্রুপ পর্বেই তাদের সামনে রয়েছে কঠিন চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে সেনেগাল ও নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দুটি ফরাসিদের জন্য বড় পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে।
দীর্ঘদিনের কোচ দিদিয়ের দেশ্যমের অধীনে এটি হবে ফ্রান্সের শেষ বিশ্বকাপ। ২০১২ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করা দেশ্যমের উত্তরসূরি হিসেবে সাবেক কিংবদন্তি জিনেদিন জিদানের নাম আলোচনায় রয়েছে।
ফ্রান্সের আক্রমণভাগের নেতৃত্বে থাকবেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। রিয়াল মাদ্রিদ তারকার সঙ্গে থাকবেন ব্যালন ডি’অরজয়ী ওসমানে দেম্বেলে, মাইকেল ওলিসে এবং রায়ান শেরকির মতো প্রতিভাবান ফুটবলাররা।
২০০২ বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে হারিয়ে ইতিহাস গড়া সেনেগাল আবারও চমক দেখানোর স্বপ্ন দেখছে। দলের নেতৃত্বে রয়েছেন অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড সাদিও মানে। তবে আফ্রিকান নেশনস কাপ ফাইনাল-পরবর্তী বিতর্ক তাদের প্রস্তুতিতে কিছুটা প্রভাব ফেলেছে।
নরওয়ের জন্য এবারের বিশ্বকাপ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৯৮ সালের পর প্রথমবারের মতো তারা বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে। কোচ স্টালে সোলবাকেনের দলের প্রধান ভরসা ম্যানচেস্টার সিটির গোলমেশিন আর্লিং হালান্ড।
বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণ হতে যাচ্ছে ফ্রান্স ও নরওয়ের মধ্যকার লড়াই, যেখানে মুখোমুখি হবেন সমসাময়িক ফুটবলের দুই বড় তারকা এমবাপ্পে ও হলান্ড। বাছাইপর্বে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা হালান্ডকে সহায়তা করবেন মার্টিন ওডেগার্ড ও আলেকজান্ডার সোরলথ।
গ্রুপের চতুর্থ দল ইরাকের জন্য বিশ্বকাপে অংশগ্রহণই বড় সাফল্য। ১৯৮৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়া দলটি বাছাইপর্বে দীর্ঘ ও কঠিন পথ পাড়ি দিয়ে টিকিট নিশ্চিত করেছে।
গ্রুপের তিন শক্তিশালী দল—ফ্রান্স, সেনেগাল ও নরওয়ে—নকআউট পর্বে জায়গা পাওয়ার লড়াইয়ে নামবে। ফলে ‘গ্রুপ আই’ যে এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ গ্রুপগুলোর একটি হতে যাচ্ছে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।