সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া শতাধিক প্রার্থী আমরণ অনশনের ঘোষণা দিয়েছেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়নি। তাদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলাও নেই বলে জানিয়েছেন প্রার্থীরা। তবে কী কারণে তাদের নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি।
নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবিতে রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল থেকে রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে আমরণ অনশনে বসার ঘোষণা দিয়েছেন তারা। নিয়োগপত্র না পাওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
বাদ পড়া প্রার্থীদের একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মো. আবু তালহা। তিনি জানান, সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ পেয়েছিলেন। কিন্তু নিয়োগের শেষ ধাপে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ভেরিফিকেশনের সময় তাকে বাদ দেওয়া হয়।
তালহা বলেন, বাদ পড়া প্রার্থীদের নিয়োগের বিষয়ে গত ১ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় আদেশ জারি করা হলেও সেখানেও তিনি নিয়োগপত্র পাননি। তার দাবি, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ৯৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯৪ জন নিয়োগপত্র পেলেও একমাত্র তিনিই এখনো নিয়োগ থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।
এদিকে নতুন নিয়োগ পাওয়া সহকারী শিক্ষকদের কাজের পরিবেশ, দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে ধারণা দিতে প্রাথমিক পরিচিতিমূলক ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। রোববার থেকে শুরু হওয়া এ প্রশিক্ষণ চলবে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত।
পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে নবনিযুক্ত শিক্ষকদের আগামী ১১ অক্টোবর পদায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন