দেশের ১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে শুরু হচ্ছে ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’। ক্রিকেট ও ফুটবলকে ঘিরে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা শুরু হবে আগামী ২৫ অক্টোবর। টুর্নামেন্ট সামনে রেখে অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অধিনায়কদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে অধিনায়ক সম্মেলন।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এন ব্লকে এবিজি স্পোর্টস সিটির জুলকান ইনডোর অ্যারেনায় এ সম্মেলন হয়। প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করছে এবিজি স্পোর্টস সিটি।

সম্মেলনে ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিকেট ও ফুটবল দলের অধিনায়ক, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি এবং আয়োজক সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি, খেলার নিয়ম এবং সূচি নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক জার্সি উন্মোচন ও খেলোয়াড়দের মধ্যে জার্সি বিতরণ করা হয়।

আয়োজকেরা জানান, ক্রিকেট ও ফুটবল—দুই বিভাগেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পৃথকভাবে দুটি গ্রুপে ভাগ করে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার চর্চা বাড়ানো, পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদার করা এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের সামনে তুলে আনাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

প্রতিযোগিতায় ক্রিকেট ও ফুটবলের জন্য আলাদাভাবে পুরস্কার দেওয়া হবে। প্রতিটি বিভাগের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ১০ লাখ টাকা, আর রানার্সআপ দল পাবে ৫ লাখ টাকা।

এবিজি স্পোর্টস সিটির চেয়ারম্যান সায়েম সোবহানের উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এ আসরে প্রথমবারের মতো রাতের ফ্লাডলাইটের আলোয় ক্রিকেট ও ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। ফলে শিক্ষার্থীরা রাতের পরিবেশেও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবেন।

অধিনায়ক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এবিজি স্পোর্টস সিটির পরিচালক মো. ইমরুল হাসান, অ্যাডভাইজার মো. লিয়াকত হোসেন ও মো. নজমুল আলম ভূঁইয়া, টি স্পোর্টসের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তাসভীর উল ইসলাম এবং ফুটবল ও ক্রিকেট বিভাগের অপারেশনস ম্যানেজার সালমান হাসান ও ইকরাম হোসেন রাফি।

মো. ইমরুল হাসান বলেন, এ ধরনের টুর্নামেন্ট শিক্ষার্থীদের মধ্যে দলগত সম্প্রীতি গড়ে তোলার পাশাপাশি ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এই আয়োজনের মাধ্যমে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের দক্ষতা দেখানোর পাশাপাশি অন্য প্রতিষ্ঠানের খেলোয়াড়দের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাবেন। দলগত খেলা শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা এবং সহযোগিতার মানসিকতা গড়ে তুলতেও সহায়ক। আয়োজকেরা আশা করছেন, আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ক্রীড়াঙ্গনকে প্রাণবন্ত করবে এবং নতুন প্রতিভা খুঁজে পেতে সহায়তা করবে।