বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালেও সাজেক সড়কে কোনো যানবাহন চলাচল করেনি। ফলে বাইরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এলাকাটি। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক বাড়ির মজুত খাবার শেষ হয়ে গেছে। রুইলুইপাড়ার কয়েকটি দোকানেও ফুরিয়ে গেছে প্রয়োজনীয় পণ্য।
এদিকে অবরোধের কারণে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারে নিতে পারছেন না জুমচাষিরা। এতে একদিকে খাদ্যসংকট বাড়ছে, অন্যদিকে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন কৃষকরা।
পর্যটননির্ভর সাজেকের ব্যবসা-বাণিজ্যও কার্যত বন্ধ। রিসোর্ট, কটেজ, রেস্তোরাঁ ও দোকানপাটে পর্যটক না থাকায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। ব্যবসায়ীদের দাবি, অবরোধে এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি দেড় হাজারের বেশি যানবাহনের চালক ও সহকারীর আয় বন্ধ হয়ে গেছে।
পাঁচ দফা দাবিতে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে এই অবরোধ চলছে। গত ২৬ অক্টোবর আলোচনায় পাঁচ দাবির চারটি নিয়ে সমঝোতার অগ্রগতি হলেও মূল বিরোধের সমাধান হয়নি।
এর মধ্যে অবরোধের প্রতিবাদে ৪ ও ৫ নভেম্বর আরও ৪৮ ঘণ্টার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটি।
আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ চলবে। অন্যদিকে প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে নতুন করে সংলাপের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।


মন্তব্য করুন