দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ঝুঁকিপূর্ণ ভবন এবং দীর্ঘ ২৫ বছরেও যেসব বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ হয়নি, সেসব প্রতিষ্ঠানের তথ্য চেয়েছে সরকার। এ বিষয়ে দেশের সব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
বুধবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক মিরাজুল ইসলাম উকিল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণকাজ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বাস্তবায়ন করে থাকে। তবে নানা অবকাঠামোগত সমস্যার মধ্যেও অনেক বিদ্যালয়ে এখনও পাঠদান কার্যক্রম চালু রয়েছে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, যেসব বিদ্যালয় ভবন অত্যন্ত পুরোনো এবং যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে, সেগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। এছাড়া ভবনের কলাম, বীম বা ছাদে ফাটল, প্লাস্টার খসে রড বেরিয়ে যাওয়া, ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া কিংবা কমিটির মাধ্যমে অকেজো ঘোষিত ভবনও এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে বলা হয়েছে।
এছাড়া যেসব বিদ্যালয়ে এখনও টিনশেড বা অস্থায়ী কক্ষে পাঠদান চলছে, সেগুলোও নতুন ভবন নির্মাণের জন্য প্রতিস্থাপনযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, অবকাঠামো উন্নয়নের স্বার্থে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন রয়েছে এবং ২৫ বছরেও যেসব বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মিত হয়নি, সেসব বিদ্যালয়ের জেলা ভিত্তিক তথ্য জরুরিভাবে পাঠাতে হবে। আগামী ২৪ মে’র মধ্যে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী সফট কপি ই-মেইলে এবং হার্ড কপি ডাকযোগে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিঠির অনুলিপি বিভাগীয় উপপরিচালক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।