প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে সকালে সড়কে অবস্থান নেন পোশাকশ্রমিকরা। পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে।
সংঘর্ষের কারণে মিরপুর-১১ থেকে মিরপুর-১০ ও পল্লবীগামী সড়কে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এতে আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। তবে বেলা সাড়ে ১১টার পর পরিস্থিতির উন্নতি হলে সড়কে যানবাহন চলাচল বাড়তে শুরু করে। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে।
নিরাপত্তার কারণে সকাল ১০টা ২২ মিনিট থেকে মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর স্টেশনটি আবার চালু করা হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মোহাম্মদ তৌহিদুল আরিফ বলেন, শ্রমিক আন্দোলনে দুষ্কৃতকারীরা অনুপ্রবেশ করেছে বলে তারা মনে করছেন। যারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে নতুন করে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে মিরপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মিরপুর-১০ এলাকায় একটি জলকামান ও দুটি সাঁজোয়া যান প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের সদস্যরাও সতর্ক অবস্থানে দায়িত্ব পালন করছেন।

মন্তব্য করুন