সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে জাহাজটি যাত্রা শুরু করে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ও প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে।
এ মৌসুমে এমভি বারো আউলিয়া, এমভি কর্ণফুলী ও এমভি টেকনাফ—এই তিনটি জাহাজ চলাচলের অনুমতি পেয়েছে। তিন জাহাজে একসঙ্গে ২ হাজার ২৯৮ জন যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা রয়েছে।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকেরা সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক দ্বীপে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে। পাশাপাশি ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোডযুক্ত টিকিট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
তবে পর্যটকদের জন্য রয়েছে বেশ কিছু বিধিনিষেধ। রাতে সৈকতে আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দ সৃষ্টি ও বারবিকিউ পার্টি আয়োজন নিষিদ্ধ। কেয়াবনে প্রবেশ, প্রবাল ও সামুদ্রিক প্রাণীর ক্ষতি এবং সৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইক চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ায় দ্বীপের পর্যটননির্ভর ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন করে কর্মচাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। হোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁসহ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা পর্যটক আগমনে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ার প্রত্যাশা করছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পর্যটন কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি সেন্টমার্টিনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারি বিধিনিষেধ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি।


মন্তব্য করুন