ঢাকা
২৫ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম

সরকারি দর থাকলেও কাঁচা চামড়ার বাজারে মিলছে না ন্যায্য মূল্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬   ৩২ বার পঠিত
সরকারি দর থাকলেও কাঁচা চামড়ার বাজারে মিলছে না ন্যায্য মূল্য

ছবি: -সংগৃহীত

রাজধানীর পোস্তা কাঁচা চামড়া আড়তে গিয়ে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ট্রাক, পিকআপ ও ভ্যানে করে বিপুল পরিমাণ চামড়া আনা হচ্ছে। আড়তগুলোতে সারিবদ্ধভাবে চামড়া স্তূপ করে রাখা হয়েছে এবং শ্রমিকরা দ্রুত লবণ মেখে সংরক্ষণের কাজ করছেন। তবে সরবরাহ বেশি থাকলেও প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় হতাশ মৌসুমি ব্যবসায়ী ও সংগ্রাহকরা।

মৌসুমি ব্যবসায়ীরা জানান, মসজিদ, মাদ্রাসা ও ব্যক্তি পর্যায় থেকে চামড়া সংগ্রহের সময় তারা সরকারি নির্ধারিত দর বিবেচনায় নিয়েছিলেন। কিন্তু আড়তে এসে সেই চামড়া বিক্রি করতে হচ্ছে অনেক কম দামে। পরিবহন, শ্রমিক ও সংরক্ষণ ব্যয় মেটানোর পর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে।

আড়তদারদের দাবি, ট্যানারি মালিকদের কাছে তাদের বিপুল অঙ্কের পাওনা বকেয়া রয়েছে। পাশাপাশি ট্যানারি খাতে নগদ অর্থের সংকট থাকায় তারা চাহিদামতো দামে চামড়া কিনতে পারছেন না। সময়মতো অর্থ পরিশোধ না হওয়ায় বাজারে তারল্য সংকট তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে কাঁচা চামড়ার দামে।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, প্রতি বছর সরকার চামড়ার দাম নির্ধারণ করলেও মাঠপর্যায়ে তার কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা যায় না। ফলে কোরবানির চামড়া থেকে ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হন সংগ্রাহক, মৌসুমি ব্যবসায়ী, এতিমখানা ও মাদ্রাসাগুলো।

তারা মনে করেন, ট্যানারি মালিকদের বকেয়া পরিশোধ, বাজারে পর্যাপ্ত নগদ অর্থের সরবরাহ এবং চামড়া সংগ্রহ ও বিপণন ব্যবস্থায় কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা না গেলে বাজারের অস্থিরতা অব্যাহত থাকবে।

সরকার চলতি বছর ঢাকায় গরুর লবণযুক্ত চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৬২ থেকে ৬৭ টাকা নির্ধারণ করেছে, যা গত বছরের তুলনায় ২ টাকা বেশি। তবে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাস্তবে সেই মূল্য কার্যকর হয়নি। বরং রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গত বছরের তুলনায় প্রতি পিস গরুর চামড়া ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কম দামে বিক্রি হয়েছে।

আগের বছরের মতো এবারও ছাগলের চামড়া কেনার ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের আগ্রহ ছিল তুলনামূলক কম, যা বাজার পরিস্থিতিকে আরও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

August 2026
SMTWTFS
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031