দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর পর নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগের মধ্যে বাড়িভাড়া, শিক্ষা ও বৈশাখী ভাতাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। একই সঙ্গে নতুন পে-স্কেল দুই ধাপে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি আবদুল মালেক ও মহাসচিব আশিকুল ইসলাম এসব দাবি জানান।
বিবৃতিতে তারা বলেন, ১২ বছরে সরকারি কর্মচারীদের বেতন না বাড়লেও দ্রব্যমূল্য, বাড়িভাড়া, শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ঢাকা, সিটি করপোরেশন ও মফস্বল—সব এলাকাতেই জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীরা চাপের মধ্যে রয়েছেন।
নেতারা জানান, গত ৩১ আগস্ট পে-স্কেল অনুমোদন হলেও ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এর প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। এর মধ্যে সচিব পর্যায়ের একটি সুপারিশনামা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে বাড়িভাড়া ও বৈশাখী ভাতা কমানোর এবং শিক্ষা ভাতা অপরিবর্তিত রাখার সুপারিশ রয়েছে বলে দাবি তাদের।
তাদের অভিযোগ, গত এক যুগে সন্তানের পড়াশোনার খরচ কয়েক গুণ বেড়েছে। স্কুল-কলেজের বেতন, ভর্তি ও বিভিন্ন ফি সামাল দিয়ে দুই সন্তানের শিক্ষাব্যয় বহন করা অনেক সরকারি কর্মচারীর জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই নতুন পে-স্কেলে শিক্ষা ভাতা বাড়ানো জরুরি।
এ ছাড়া মূল বেতন তিন ধাপে বাস্তবায়নের প্রস্তাবেরও বিরোধিতা করেছে সংগঠনটি। তাদের মতে, তিন ধাপে বাস্তবায়ন হলে প্রথম ধাপে বেতন বৃদ্ধির সুফল খুব সীমিত হবে। তাই তিন ধাপের পরিবর্তে দুই ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে।
গেজেট প্রকাশের আগে বাড়িভাড়া, বৈশাখী ও শিক্ষা ভাতার সুপারিশ পুনর্বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপও কামনা করেছেন সংগঠনের নেতারা।

মন্তব্য করুন