বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০১৪ সালেই সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা প্রকাশ্যে তুলে ধরেছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।
গত শনিবার লন্ডনে একটি দৈনিক পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সালেহ শিবলী বলেন, ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হলেও তারেক রহমান পাঁচ বছর আগেই এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন।
তিনি জানান, ২০১৪ সালের ১৫ জুলাই লন্ডনের টাওয়ার হিলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেছিলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে বিদ্যমান কোটাব্যবস্থা সংস্কার করে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। সরকারি চাকরিতে মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতেই তিনি এ প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
দাবির সমর্থনে একটি ভিডিওর উল্লেখ করে সালেহ শিবলী বলেন, সেখানে তারেক রহমানকে বলতে শোনা যায়, দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ কোটা কমিয়ে ৫ শতাংশে আনা উচিত, যাতে মেধাবীরা অধিক সুযোগ পান।
প্রেস সচিবের মতে, ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে শুরু হওয়া সেই আন্দোলন পরবর্তীতে গণ–অভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে।
তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বেকারত্ব কমাতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু, স্বাস্থ্য খাতে এক লাখ নার্স নিয়োগ এবং বিদেশে দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে ভাষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উল্লেখযোগ্য।