তিনি বলেন, হুথিদের কাছে ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন, আত্মঘাতী ড্রোন এবং বিস্ফোরকবোঝাই দ্রুতগামী নৌযান রয়েছে। এসব অস্ত্র ব্যবহার করে প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা চালানোর সক্ষমতা অর্জন করেছে গোষ্ঠীটি।
আল-মালিকির ভাষ্য অনুযায়ী, হুথিরা ইয়েমেনের সানা, সা’দা ও আমরান অঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় অস্ত্র ও গোলাবারুদের গুদাম স্থাপন করেছে। এসব স্থাপনা ছাড়াও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকেন্দ্রের নেটওয়ার্ক ধ্বংস করতে অভিযান চালাচ্ছে জোটের বাহিনী।
তিনি আরও জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে স্থায়ী ও ভ্রাম্যমাণ উৎক্ষেপণকেন্দ্রগুলো শনাক্ত করে ধ্বংস করার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে এসব অস্ত্র পরিচালনা ও হামলার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনায় হুথিদের হামলার অভিযোগও তুলে ধরেন আল-মালিকি। তাঁর দাবি, ১ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ১৫ দিনে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে অন্তত ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এ ছাড়া দাম্মাম ও আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও হামলা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এসব হামলায় ১৯ জন নিহত এবং ৩৬৪ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন সৌদি সামরিক মুখপাত্র। তবে হতাহতের তথ্য ও হামলার বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
বেসামরিক নাগরিক ও স্থাপনায় হামলার নিন্দা জানিয়ে আল-মালিকি বলেন, সৌদি আরবের বিমানবন্দর, বন্দর ও তেল স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার প্রচেষ্টা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি।
হুথিদের অস্ত্রভাণ্ডার ধ্বংস এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সক্ষমতা কমাতে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার কথাও জানিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।


মন্তব্য করুন