আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত হবে ৩৩তম অ্যাক্টর অ্যাওয়ার্ডস। ওই অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হবে পুরস্কারটি। অনুষ্ঠানটি নেটফ্লিক্সে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
আল পাচিনোর অভিনয়জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায়গুলোর একটি ১৯৭২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য গডফাদার’। ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলার পরিচালনায় মাইকেল করলিওনে চরিত্রে অভিনয় করে তিনি বিশ্বজুড়ে পরিচিতি অর্জন করেন। চরিত্রটির মধ্য দিয়ে হলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন এই অভিনেতা।
এরপর একের পর এক আলোচিত সিনেমায় অভিনয় করে দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। ১৯৭৩ সালের ‘সারপিকো’ সিনেমায় পুলিশ কর্মকর্তা ফ্র্যাঙ্ক সারপিকো এবং ১৯৮৩ সালের ‘স্কারফেস’-এ গ্যাংস্টার টনি মন্টানা চরিত্রে তাঁর অভিনয় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। দুই সিনেমাতেই ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় দেন তিনি।
২০১৯ সালে কোয়েন্টিন ট্যারান্টিনোর ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম… ইন হলিউড’ সিনেমায় হলিউডের এজেন্ট মারভিন শোয়ার্জ চরিত্রেও অভিনয় করেন আল পাচিনো। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে অপরাধজগতের চরিত্র থেকে শুরু করে বাস্তব ব্যক্তিত্ব—বিভিন্ন ধরনের ভূমিকায় নিজেকে দক্ষতার সঙ্গে উপস্থাপন করেছেন তিনি।
নিউইয়র্কে আলফ্রেডো জেমস পাচিনো নামে জন্ম নেওয়া এই অভিনেতার পথচলা অবশ্য সহজ ছিল না। ষাটের দশকে অভিনয়জগতে প্রতিষ্ঠা পেতে তাঁকে দীর্ঘ সংগ্রাম করতে হয়। পরবর্তী সময়ে ‘দ্য গডফাদার’-এর সাফল্য তাঁর ক্যারিয়ারে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি মঞ্চ ও টেলিভিশনেও নিজের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন আল পাচিনো। অভিনয়ের জন্য বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার ও স্বীকৃতিও পেয়েছেন তিনি।
সাগ-আফট্রার লাইফ অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড সাধারণত অভিনয়শিল্পীদের দীর্ঘদিনের পেশাগত অবদান ও শিল্পকলায় তাঁদের প্রভাবের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়। আল পাচিনোর ক্ষেত্রে এই সম্মাননা তাঁর দীর্ঘ ও বৈচিত্র্যময় অভিনয়জীবনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


মন্তব্য করুন