একই সময়ে আধাসরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স জানায়, উপকূলীয় শহর বন্দর লেঙ্গেহতেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সমুদ্রের দিক থেকে এসব শব্দ ভেসে আসে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
এদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল দেশটির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী এসব হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জাহাজে হামলার সক্ষমতা কমিয়ে আনতেই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এপিও এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আত্মরক্ষামূলক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এর আগে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করে, ইলেকট্রনিক যুদ্ধপ্রযুক্তি ব্যবহার করে কেশম দ্বীপের দক্ষিণে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি গোয়েন্দা ড্রোন আটক করেছে তারা। পাশাপাশি একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ধ্বংসের দাবিও করেছে সংস্থাটি।
এদিকে, হামলার খবরের মধ্যেই কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে সমঝোতার সম্ভাবনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যেই নতুন করে সামরিক উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

মন্তব্য করুন