নথিতে বলা হয়েছে, ‘কে-১০’ নামের একটি রপ্তানি চুক্তির আওতায় এসব লঞ্চার সরবরাহের কথা রয়েছে। রাশিয়ার সামরিক সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভিম্পেল এগুলো তৈরি করেছে। চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষভাগ থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সরবরাহ সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল।
তবে লঞ্চারগুলো ইরানের কাছে শেষ পর্যন্ত পৌঁছেছে কি না, তা নিশ্চিত করতে পারেনি গোয়েন্দা সংস্থাটি।
এদিকে পশ্চিমা বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাত থেকে কৌশলগত ও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে রাশিয়া। হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা এবং জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। এতে রাশিয়ার জ্বালানি আয় বাড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, তেলের বাড়তি আয় ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার সামরিক ব্যয় মেটাতে সহায়তা করছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক মনোযোগ ও অস্ত্রের সরবরাহ ইউক্রেন থেকে কিছুটা সরে যাচ্ছে।
তবে রাশিয়ার পক্ষ থেকে ইরানকে ৯০টি ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার সরবরাহের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এর আগে ইরানকে সহায়তার ক্ষেত্রে রাশিয়ার ভূমিকা খুবই সীমিত বলে মন্তব্য করেছিলেন।

মন্তব্য করুন