তবে চুক্তির বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টি (সিএইচপি)। দলটির আইনপ্রণেতা মেহমেত গুজেলমানসুর চুক্তির আওতা ও তদারকি ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, তুরস্কের বিদ্যমান আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের সঙ্গে যেন এই চুক্তির কোনো বিরোধ তৈরি না হয়, সে জন্য স্পষ্ট নিয়ম ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
এর আগে গত ৭ আগস্ট সৌদি আরবের মক্কায় অনুষ্ঠিত এক ত্রিপক্ষীয় শীর্ষ সম্মেলনে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তির আওতায় তিন দেশ যৌথ নিরাপত্তা জোরদার, প্রতিরক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করে।
তুরস্কের পার্লামেন্টে অনুমোদনের মধ্য দিয়ে চুক্তিটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলো। এখন তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা কীভাবে এগিয়ে যায়, সেদিকে নজর থাকবে আন্তর্জাতিক মহলের।

মন্তব্য করুন