দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রুবিও এসব কথা বলেন। পদত্যাগের গুঞ্জন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসব কথা কোথা থেকে আসছে, তা তিনি জানেন না। প্রশাসন ছেড়ে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনাও তাঁর নেই।
বর্তমানে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করছেন রুবিও। আগামী ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তাঁকে ট্রাম্পের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকে।
তবে নিজের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি। ২০২৮ সালের নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে রুবিও বলেন, ওই বছর নিয়ে তিনি আর কোনো কথা বলতে চান না।
এর আগে ব্লুমবার্গ নিউজের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, রুবিও ট্রাম্প প্রশাসন ছেড়ে যাওয়ার কথা ভাবছিলেন। তবে হোয়াইট হাউসের অনুরোধে তিনি দায়িত্বে থেকে যেতে সম্মত হন। যদিও মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এই প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
পররাষ্ট্র দপ্তরের গ্লোবাল পাবলিক অ্যাফেয়ার্সবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডিলান জনসন ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনকে ‘সম্পূর্ণ বানোয়াট’ বলে অভিহিত করেন।
একইভাবে দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের একটি প্রতিবেদনও নাকচ করেছে পররাষ্ট্র দপ্তর। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, ২০২৮ সালের রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন রুবিও।
রুবিও এর আগে জানিয়েছেন, আগামী নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স প্রার্থী হলে তিনি তাঁকে সমর্থন করবেন। ফলে আপাতত নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের চেয়ে বর্তমান প্রশাসনের দায়িত্ব পালনের বিষয়টিতেই গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।

মন্তব্য করুন