https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ইরানের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানালেন মিশর জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ হোসাম হাসান। তিনি বলেছেন, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলের সঙ্গে সমান ও ন্যায্য আচরণ করা উচিত, কারণ ফুটবলের মূল চেতনা হলো সম্মান ও ফেয়ার প্লে।
শুক্রবার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ইরানের মুখোমুখি হওয়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে হোসাম হাসান বলেন, “বিশ্বকাপে খেলার অধিকার অর্জন করা প্রতিটি দলের প্রতি আমার শ্রদ্ধা রয়েছে। ফিফা যেহেতু সম্মান ও ফেয়ার প্লের কথা বলে, তাই সব দলের সঙ্গেই একই ধরনের আচরণ করা উচিত।”
যদিও তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আয়োজকদের সরাসরি সমালোচনা করেননি, তবে তার বক্তব্যকে টুর্নামেন্টে ইরানের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থনের বিরল উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইরান অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ নীতির কারণে তাদের প্রস্তুতি ব্যাহত হয়েছে। দলটি মেক্সিকোতে ক্যাম্প করলেও প্রতিটি ম্যাচের আগে মাত্র একদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পেয়েছিল। ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই দেশ ছাড়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ তাদের।
তবে সিয়াটলে মিশরের বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচের আগে কিছুটা শিথিল করা হয় সেই বিধিনিষেধ। এবার ম্যাচের দুই দিন আগে শহরে পৌঁছানোর সুযোগ পায় ইরান।
ইরানের প্রধান কোচ আমির গালেনোই বলেন, ম্যাচের দুই দিন আগে পৌঁছানোর সুযোগ পাওয়া আমাদের অধিকার ছিল। আগের দুই ম্যাচেও এটি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আমাদের সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এসব প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তার দল লড়াই চালিয়ে যাবে।
দুই কোচই একে অপরের দলের প্রতি সম্মান প্রকাশ করেছেন। গালেনোই বলেন, মিশর শুধু মোহাম্মদ সালাহনির্ভর দল নয়, তাদের দলে আরও অনেক মানসম্পন্ন ফুটবলার রয়েছেন।
অন্যদিকে হোসাম হাসানও ইরানকে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ইরান এমন একটি দল, যাকে আমি অত্যন্ত সম্মান করি।
গ্রুপের সমীকরণে চার পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে মিশর। নকআউট নিশ্চিত করতে তাদের জন্য একটি ড্র-ই যথেষ্ট। অন্যদিকে দুই পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইরানের জন্য জয়ই সবচেয়ে নিরাপদ পথ। একই পয়েন্ট নিয়ে লড়াইয়ে রয়েছে বেলজিয়ামও, আর নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ এক পয়েন্ট। ফলে গ্রুপের শেষ ম্যাচটি দুই দলের জন্যই বাড়তি গুরুত্ব বহন করছে।