ঢাকা
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রের রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের এ অবস্থা কেন? ট্রাস্টের ২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, হাসিনা-রেহানার বিরুদ্ধে মামলা আসিফের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ের কাছে নথি চেয়েছে দুদক হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রায় ৩ হাজার বিচারবহির্ভূত হত্যা ও মিথ্যা মামলা বন্ধে পুলিশকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশ তিন বছরে বন্ধ ৪ শতাধিক পোশাক কারখানা: সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি : প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব ইজতেমা শান্তিপূর্ণ আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক, পরীক্ষা ও জাতীয় মান নির্ধারণের উদ্যোগ

আসিফের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ের কাছে নথি চেয়েছে দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ৪ বার পঠিত
আসিফের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ের কাছে নথি চেয়েছে দুদক

ছবি: -সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কাছে চার ধরনের নথি চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে এ-সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়। দুদকের উপ-পরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা মো. জাহিদ কালামের সই করা চিঠিতে চাহিদাকৃত নথিপত্র আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।

দুদকের চাওয়া নথির মধ্যে রয়েছে আসিফ মাহমুদ দায়িত্বে থাকাকালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে সম্পন্ন হওয়া সব নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলির নথি। এছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট স্মারকের ভিত্তিতে বদলি-সংক্রান্ত সত্যায়িত নথি, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে চলতি দায়িত্ব দেওয়া, বাতিল ও পদায়নের নথি এবং ঢাকা, বগুড়া, বরিশাল, পাবনা, ধামরাই ও নরসিংদীতে কর্মরত নির্দিষ্ট সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত নথিও চাওয়া হয়েছে।

এর আগে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন ও উপসচিব মো. মাসুম আহমেদসহ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। বুধবার মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি অনুসন্ধান টিমও গঠন করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল ও নতুন পদে পদায়নের আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে ৭৬ লাখ টাকা এবং ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে পদোন্নতির নামে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। পছন্দের স্থানে পদায়নের জন্য আরও ২ কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, বদলি ও পদোন্নতি বাণিজ্যের পাশাপাশি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন কেনাকাটা ও টেন্ডার প্রক্রিয়াতেও অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার অভিযোগও করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আসিফ মাহমুদ। বুধবার সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় তিনি ব্যক্তিগতভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন না। উপজেলা বা জেলা পর্যায়ের যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাদের পদায়ন ও পদোন্নতিতে মন্ত্রীর অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না এবং সচিবের মাধ্যমেই এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

আসিফ মাহমুদের দাবি, পিএসসির সুপারিশের ভিত্তিতে কর্মকর্তাদের মেধাতালিকা প্রস্তুতসহ পুরো প্রক্রিয়ায় আইন ও প্রশাসনিক বিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। অভিযোগের বাস্তবতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি দিতে তিনি প্রস্তুত বলেও জানান।

September 2026
SMTWTFS
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930