https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
বাংলাদেশ বিমানবহর সম্প্রসারণে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে বিমান কেনার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চিঠি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত ২৬ আগস্ট পাঠানো এ চিঠিটি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর ট্রাম্পের প্রথম চিঠি।
হোয়াইট হাউস থেকে পাঠানো চিঠিতে ট্রাম্প বলেন, বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না এবং এ বিষয়ে তিনি নিজেই ‘গ্যারান্টার’ হিসেবে থাকবেন। একই সঙ্গে বোয়িং থেকে বিমান কেনার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
চিঠিতে ট্রাম্প জানান, গত ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশের মধ্যে মার্কিন পণ্য আমদানি বাড়ানোর বিষয়ে একটি পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি হয়। এর আওতায় বাংলাদেশ বিমানের জন্য প্রাথমিকভাবে ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা এবং পরবর্তী সময়ে আরও ১১টি বিমান কেনার সুযোগ রাখা হয়েছিল।
বাংলাদেশ অন্য কোনো দেশের নির্মাতার কাছ থেকে বিমান কেনার বিষয়টি বিবেচনা করছে—এমন তথ্য পাওয়ার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প সতর্ক করেন, বোয়িংয়ের পরিবর্তে অন্য প্রতিষ্ঠানের বিমান কিনলে বাংলাদেশ বিমানের পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে। এতে কয়েকশ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত লোকসানের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।
বোয়িংকে ‘বিশ্বের সেরা বিমান নির্মাতা’ উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, আর্থিক বিবেচনাতেও প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে সাশ্রয়ী বিকল্প। তাই অন্য কোনো কোম্পানির পরিবর্তে বোয়িং বেছে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এর চার দিন পর, ৩১ আগস্ট বোয়িং থেকে বিমান কেনার সিদ্ধান্তে রাজি হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে আরেকটি চিঠি পাঠান ট্রাম্প।
এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বহর সম্প্রসারণের উদ্যোগ ইতিবাচক। ধাপে ধাপে ২০৪০ সাল পর্যন্ত মোট ২৫টি নতুন উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত করার পরিকল্পনা দীর্ঘমেয়াদে বিমানবহরের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।