https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সমন্বিত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, রোগী ব্যবস্থাপনা, চিকিৎসাসামগ্রী সরবরাহ এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
রোববার রাজধানীর জাতীয় নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ডেঙ্গু পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ লক্ষ্যে পর্যাপ্ত স্যালাইন মজুত, ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা এবং চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, গত দুই মাস ধরে ডেঙ্গু মোকাবিলার প্রস্তুতি চলছে। জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এবং সিটি করপোরেশনের প্রশাসকদের সমন্বয়ে প্রতিটি জেলায় কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, মশার লার্ভা ধ্বংসে প্রয়োজনীয় ট্যাবলেট বিতরণ এবং উড়ন্ত মশা নিধনে স্প্রে কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পর্যাপ্ত স্যালাইন সংগ্রহ করা হয়েছে, যাতে কোনো রোগী সংকটে না পড়েন এবং জটিলতা এড়ানো যায়।
চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ডেঙ্গু চিকিৎসার জাতীয় প্রোটোকল বিষয়ে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রোগী পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত উপজেলা পর্যায়েই চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
হাম পরিস্থিতি সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্টদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশে হামের সংক্রমণ একটি নির্দিষ্ট পরিসরের মধ্যে সীমিত রাখা সম্ভব হয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বের অনেক দেশেই এখনো হাম পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হয়নি।
সভায় শিশুস্বাস্থ্য ও পুষ্টি কর্মসূচির বিষয়েও কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, শিশুদের পুষ্টি কর্মসূচি, ভিটামিন এ সরবরাহ এবং টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদারে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।