https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
বিশ্বকাপ ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন। টুর্নামেন্টের শুরুতে প্রত্যাশামতো খেলতে না পারলেও সেমিফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে দারুণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে শিরোপার লড়াইয়ে নামছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।
স্পেনের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের ভারসাম্যপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধ দল। রদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ, দানি ওলমো, আলেক্স বায়েনা, লামিনে ইয়ামাল এবং মিকেল ওইয়ারসাবালের মতো তারকাদের সমন্বয়ে গড়া এই দলটি বলের দখল ধরে রেখে ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণে দক্ষ। মাঝমাঠের আধিপত্য, দ্রুত পাসিং এবং আক্রমণভাগে কার্যকর সমন্বয় স্পেনকে প্রতিপক্ষের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জে পরিণত করেছে। পাশাপাশি নিকো উইলিয়ামসের মতো মানসম্পন্ন খেলোয়াড় বেঞ্চে থাকাও দলটির গভীরতার প্রমাণ।
ফাইনালে স্পেন শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রেখে আর্জেন্টিনাকে চাপে রাখার কৌশল নিতে পারে। রদ্রি ও ফাবিয়ান রুইজ মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পালন করবেন, আর দানি ওলমো, ইয়ামাল ও বায়েনা সুযোগ তৈরি করে দেবেন স্ট্রাইকার মিকেল ওইয়ারসাবালের জন্য। আর্জেন্টিনা আক্রমণে বেশি খেললে দ্রুত প্রতি-আক্রমণেও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে স্প্যানিশরা।
তবে সব হিসাব বদলে দিতে পারেন লিওনেল মেসি। ৩৯ বছর বয়সেও দুর্দান্ত ফর্মে থাকা আর্জেন্টাইন অধিনায়ক টুর্নামেন্টে গোল ও অ্যাসিস্টে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে দলকে ফাইনালে তুলেছেন। তাই কৌশল ও দলগত শক্তিতে স্পেন এগিয়ে থাকলেও মেসির উপস্থিতি ফাইনালকে অনিশ্চয়তায় ভরিয়ে রেখেছে।