https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদন বন্ধ থাকা সরকারি শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া চলতি বছরের মধ্যেই শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে বেসরকারিকরণ কার্যক্রমে গতি আনা এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে এসব কারখানায় দ্রুত উৎপাদন শুরু করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা পুনরায় চালু, বেসরকারিকরণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন জানান, বহু বছর ধরে বন্ধ থাকা সরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের গতি বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে কারখানাগুলোকে দ্রুত উৎপাদনে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।
বৈঠকে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে আরও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় নীতিগত ও প্রশাসনিক উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী, বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরায় চালুর পুরো প্রক্রিয়া ২০২৬ সালের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে।
সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালু হলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদন বৃদ্ধি, শিল্প খাতের সক্ষমতা জোরদার এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। একই সঙ্গে অব্যবহৃত সরকারি সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগও উৎসাহিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।