https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। ৩৯ রানেই ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলায় টেস্টে নিজেদের সর্বনিম্ন ৪৩ রানের স্কোরের শঙ্কায় পড়েছিল টাইগাররা। তবে শেষ উইকেট জুটিতে শরিফুল ইসলাম ও তাইজুল ইসলামের ২৫ রানের লড়াইয়ে সেই লজ্জা এড়ায় বাংলাদেশ।
৬৪ রান বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় স্কোর। এর আগে তিনবার ৬৪ রানের চেয়েও কমে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ।
২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাত্র ৪৩ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ, যা টেস্টে দলের সর্বনিম্ন স্কোর। এরপর ২০২২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কেপটাউন টেস্টে ৫৩ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা। ২০০৭ সালে কলম্বোতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬২ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ।
ম্যাকাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইনিংসের শুরু থেকেই ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। প্রথম বলেই সাদমান ইসলামকে ফিরিয়ে দেন মিচেল স্টার্ক। এরপর একের পর এক উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের টপ ও মিডলঅর্ডারকে ধসিয়ে দেন এই বাঁহাতি পেসার।
মাত্র ২২ বল করে ৫ উইকেট শিকার করেন স্টার্ক। বাংলাদেশের প্রথম পাঁচ উইকেট পড়ে মাত্র ১২ রানে। টপঅর্ডারের তিন ব্যাটারই ফেরেন শূন্য রানে।
মমিনুল হক ১৬ বলে ৯ রান করে স্টার্কের শিকার হন। এরপর লিটন দাসও কোনো রান না করে ফেরেন। মুশফিকুর রহিম কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ৪২ বলে ৫ রান করে প্যাট কামিন্সের বলে আউট হন।
এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৩৬ রানে মিরাজ এবং ৩৮ রানে হাসান মাহমুদ ফিরে যান। তাসকিন আহমেদও কামিন্সের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন।
শেষ পর্যন্ত শরিফুল ইসলাম ও তাইজুল ইসলাম ২৫ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে ৬০ রানের ঘর পার করেন। তবে মিচেল স্টার্কই শরিফুলকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের ইনিংসের সমাপ্তি ঘটান।
অস্ট্রেলিয়ার তিন পেসারই বাংলাদেশের ১০টি উইকেট ভাগ করে নিয়েছেন। স্টার্ক ১২ রানে ৬ উইকেট, কামিন্স ৩টি এবং জশ হ্যাজেলউড একটি উইকেট নিয়েছেন।