https://timenewsbangla.com

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটারকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে প্রার্থী বা তার পক্ষে কেউ ভোটারের ব্যক্তিগত জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নম্বর সংগ্রহ করতে পারবেন না। একইভাবে ভোটার বা তার পরিবারের সদস্যদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের মাধ্যমে লেনদেনের ব্যবস্থাও নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ নির্বাচনের আচরণবিধির গেজেট প্রকাশ করে ইসি। এর আগে সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও একই ধরনের বিধান করা হয়েছিল।
আচরণবিধিতে ভোটারকে প্রভাবিত করতে বলপ্রয়োগ বা অর্থ ব্যয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি মসজিদ, মন্দির, গির্জাসহ ধর্মীয় উপাসনালয়, সরকারি অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না।
নির্বাচনী প্রচারণায় নাগরিকের জমি, ভবন বা অন্য কোনো সম্পত্তির ক্ষতি করাও নিষিদ্ধ। ভোটকেন্দ্রের নির্ধারিত এলাকায় কমিশনের অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া অস্ত্র, গোলাবারুদ বা বিস্ফোরক বহন করা যাবে না।
মাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ রয়েছে। দুপুর ১২টার আগে ও সূর্যাস্তের পর মাইক বা শব্দবর্ধক যন্ত্র ব্যবহার করে প্রচারণা চালানো যাবে না। শব্দের মাত্রা সর্বোচ্চ ৬০ ডেসিবেল নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া নির্বাচনপূর্ব সময়ে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্বাচনী প্রচারণা বা নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
ইসি জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নভেম্বরে ভোট আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে তারা এগোচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।