https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
গুমকে সুনির্দিষ্ট অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধানসহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ। রোববার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে বিলগুলো পাস হয়।
পাস হওয়া আইন তিনটি হলো—জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬ এবং সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধনী) বিল ২০২৬।
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে গুমকে আমলযোগ্য, অ-জামিনযোগ্য ও অ-আপসযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সাধারণ ক্ষেত্রে গুমের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। তবে ভুক্তভোগী মারা গেলে বা পাঁচ বছরের বেশি সময় নিখোঁজ থাকলে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবনের পাশাপাশি সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। তদন্ত ও বিচার ১২০ দিনের মধ্যে শেষ করার কথা বলা হয়েছে।
নতুন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনে একজন চেয়ারম্যান ও চারজন কমিশনার নিয়ে কমিশন গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এতে অন্তত একজন নারী এবং একজন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
এদিকে, ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধন করে ‘আজীবন ভোগস্বত্ব সংরক্ষিত দান’-এর বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে নির্দিষ্ট রক্তসম্পর্কীয় আত্মীয় বা জীবনসঙ্গীর নামে সম্পত্তি হস্তান্তরের পরও দাতা আমৃত্যু তা ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রাখতে পারবেন।
তবে বিল তিনটি পাসের সময় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা আপত্তি জানান। মানবাধিকার কমিশন আইনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিষয়ে আলাদা প্রক্রিয়ার সমালোচনা এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধনী নিয়ে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে আপত্তি তুলে তারা ওয়াকআউট করেন।